বাংলাদেশ থেকে ভারতের ভিসার জন্য কিভাবে আবেদন করবো


আসসালামু আলাইকুম। সম্মানিত পাঠক বন্ধুগণ, আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। আপনি যদি ভারতীয় ভিসা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আমি বলব আপনি আজকে সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজকে আমি আপনাদের সাথে ভারতীয় ভিসা বিস্তারিত সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। বাংলাদেশের ইন্ডিয়া ভিসা চালু আছে কিনা, বাংলাদেশ থেকে ভিসার জন্য কিভাবে আবেদন করবেন, ভারতীয় ভিসার কত প্রকার ও কি কি বাংলাদেশ কি ইন্ডিয়া ভিসা চালু আছে, ভারতীয় ভিসার ফি কত ইত্যাদি সহ সকল বিষয়ে জানতে পারবেন আজকের একটি মাত্র আর্টিকেল। তো আজকে কথা না বাড়িয়ে আমরা আমাদের মূল আলোচনায় ফিরে যাচ্ছি।


ভারতীয় ভিসা কত প্রকার

আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন না ভারতীয় ভিসা কত প্রকার। যদি না জেনে থাকেন তাহলে আপনি আজকে জানতে পারবেন। বাংলাদেশের জন্য ভারত চার দোকানের ভিসা দিয়ে থাকে। যেমন: 

১. এমপ্লয়মেন্ট ভিসা: এই ভিসার চুক্তি হচ্ছে পাঁচ বছর। এই ভিসা ভারতে প্রসারণ যোগ্য।

২. বিজনেস ভিসা: এই ভিসা ৫ বছর জন্য এবং ভারতে প্রসারনযোগ্য।

৩. প্রজেক্ট ভিসা: এই ভিসা এর সময়কাল এক বছর বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। অর্থাৎ প্রজেক্টর সময়কাল যদি চার বছর হয় তাহলে চার বছর থাকবে এই ভিসার মেয়াদ। যদি সময় কারো কম বেশি হয় তাহলে কম বেশি করে মেয়াদকাল থাকবে এই ভিসার। এই ভিসা শুধুমাত্র প্রজেক্ট এর সময়সীমার উপর নির্ভর করে। তবে এই ভিসা ভারতে প্রসারনযোগ্য।

৪. x/প্রবেশ ভিসা: এই ভিসার মেয়াদকাল পাঁচ বছর।

ভারতীয় ভিসার ফি কত

ভারতীয় ভিসার আবেদন করতে কোন ফি লাগেনা। আবেদন অনলাইনে ফ্রিতে পূরণ করা যায়। নিজে নিজে আপনি ফ্রিতে আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু স্লট ধরার জন্য ৮০০ টাকা অবশ্যই পেমেন্ট করা লাগবে। 



বাংলাদেশ থেকে ভারতের ভিসার জন্য কিভাবে আবেদন করবো

বাংলাদেশ থেকে ভারতের ভিসার জন্য আপনি আবেদনটি অনলাইনে করতে পারবেন। তার জন্য আপনি নিজে নিজে অনলাইনে তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন অথবা যে কোন কম্পিউটার দোকানে গেল আবেদন করতে পারবেন। তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন ফরমটি পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। আবেদন ফরমে যা যা তথ্যচাবে সকল তথ্য দিয়ে ফুলফিল করতে হবে। এরপর আপনার দেওয়া সকল তথ্য সঠিক আছে কিনা তা অবশ্যই একবার চেক করে নিবেন। পরবর্তীতে আবেদনটি সকল কিছু সঠিক থাকলে সাবমিট করে দিবেন। এরপর ভিসা ইস্যু করার জন্য অবশ্যই ৮০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতের ভিসা করতে কত টাকা লাগে

বাংলাদেশ থেকে ভারতের ভিসা করতে তেমন টাকা পয়সা লাগে না। তবে আপনি চাইলে এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। এতে করে এজেন্সিকে অবশ্যই তাদের মতো করে ফি পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া আপনাকে স্লট ধরতে হলে ফি বাবদ ৮০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। এটা আপনি এজেন্সির মাধ্যমে পরিশোধ করিয়ে নিতে পারবেন। অথবা আপনি নিজেও তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। আপনি চাইলে ইউপে এর মাধ্যমে এই টাকাটা পরিশোধ করতে পারবেন। পরিশোধ করার সময়টাও নির্দিষ্ট। তারা তাদের মতো করে একটি নির্দিষ্ট সময় দিবে এবং সেই সময়ের মধ্যেই আপনাকে এই ৮০০ টাকা পরিশোধ করতে স্লট ধরতে হবে। তারপর আপনি ইন্ডিয়ান ভিসা পাবেন।

বাংলাদেশের ইন্ডিয়া ভিসা চালু আছে কিনা

অনেকেই জানতে চাচ্ছেন বাংলাদেশে ইন্ডিয়া ভিসা চালু আছে কিনা। কারণ পথের পথ থেকে বাংলাদেশের সাথে ইন্ডিয়ার সম্পর্ক ভালো না। সেই সুবাদে ভারতীয় ভিসা বন্ধ থাকার কথা। তো অনেকের মনে প্রশ্নের ঘুরপাক খাচ্ছে ভারতীয় ভিসা চালু আছে কিনা সেই বিষয়টা নিয়ে। তো আগের মত ভারতীয় সকল ভিসা চালু নেই। শুধুমাত্র মেডিকেল ভিসা এবং টুরিস্ট ভিসা চালু আছে। স্বল্প সংখ্যকভাবে এই দুইটি ক্যাটাগরির ভিসা চালু রাখা হয়েছে। আপনি যদি একজন টুরিস্ট কর্মী হয়ে থাকেন অথবা মেডিকেল চিকিৎসার রোগী হয়ে থাকেন তাহলে আপনি ইন্ডিয়ার জন্য ভিসার আবেদন করতে পারবেন।

শেষ কথা 

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আমাদের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আশা করছি আর্টিকেলটির দ্বারা অবশ্যই আপনারা কিছুটা হলে উপকৃত হয়েছেন। আপনার যদি আরো কিছু সম্পর্কে জানার প্রয়োজন থাকে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্ট করবেন। আমরা সেই অনুযায়ী আবার আপনাদের জন্য আর্টিকেল নিয়ে আসব। আর্টিকেলটি যদি ভালো লাগে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিবেন এবং সব সময় আমাদের পাশেই থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন